মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

১৬নং বাগবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের অন্তর্গত বাগবাড়ী একটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। এক সময এখানে জমিদার বাড়ীতে গৃহ শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত হতো শিক্ষাদান। কালের পরিক্রমায় এলাকার লোকজন শিক্ষার মুল্য বুঝতে পারে এবং বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় স্বর্গীয় ধীরেন্দ্র নাথ ঘোষের ৩৩ শতাংশ জমির উপর এক চালা বিশিষ্ট টিনের ঘর নির্মান করে এলাকাবাসী। সেই জমির দাগ নং ৯৪০ খতিয়ান নঙ ৫৩২। পরবর্তীতে সরকার কর্তৃক অনুদান মারফত ১৯৩৩ খ্রি: প্রায় ৫০ ফুট দীর্ঘ আধাপাকা টিনের ভবন নির্মান করেন। এই ভবনেই চলে বিদ্যালয়ের লেখাপড়া। পরে ১৯৭৩ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের এক ঘোষনায় বিদ্যালয়ে জাতীয়করন করা হয়।সেই থেকে বিদ্যালয়টি সরকারী হিসাবে পরিচিত। পরবর্তীতে ২০০৫-০৬ অর্থ বর্ষে এল.জি.ই.ডি এর সহায়তা দ্বিতল ভবন নির্মিত হয়।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোছা: দিলরুবা পরভীন ০১৫৫২৪৮৭৯৮৯ 0

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোছা: দিলরুবা পরভীন ০১৫৫২৪৮৭৯৮৯ 0
মো: রেজাউল করিম ০১৭১৩৭৩৯০২০ 0
মোছা: আফরোজা পারভীন ০১৭১৭৬২৬১৫৮ 0
মোছা: আফরোজা শিরিন ০১৭১৩৭৮০৪৪৭ 0

শ্রেনী

বালক

বালিকা

মোট

১ম

 

৩৯

৬৯

২য়

 

১৯

৫৪

৩য়

 

৩৪

৬৪

৪র্থ

 

২৯

৫৪

৫ম

 

১৮

২৬

সর্ব মোট

 

১৩৯

২৬৭

১০০%

  

মো: আব্দুল মান্নান (জুড়ান)

সহ সভাপতি

মো: আব্দুস সাত্তার

সদস্য

মোছা: আমিনা বেগম

সদস্য

মো: সেরাজুল ইসলাম

সদস্য

মো: আব্দুল ওয়াহাব

সদস্য

মো: আব্দুল লতিফ

সদস্য

মো: আব্দুল মজিদ

সদস্য

শিল্পী রানী ঘোষ

সদস্য

মো: রেজাউল করিম

সদস্য

শ্রী প্রদীপ কুমার

সদস্য

সাল

পাশের হার

২০০৭

১০০%

২০০৮

১০০%

২০০৯

১০০%

২০১০

১০০%

২০১১

১০০%

শ্রেনী

 

উপবৃত্তির প্রাপ্ত

বালক

বালিকা

১ম

 

৪৮

২৯

১৯

২য়

 

৫৭

৩৩

২৪

৩য়

 

৪০

১৮

২২

৪র্থ

 

৩৬

১৪

২২

৫ম

 

১৯

০৬

১৩

২০১২ সালে ১০০% পাস তার মধ্যে ২জন বৃত্তি পাইতে পারে। ২০০৬ সালে ২জন বৃত্তি পেয়েছিল। ছাত্র-ছাত্রীদের আকাংখা উচ্চ। অনেকেরই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়র হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন সহ ১০০% পাশ

বিদ্যালয়ের যোগা যোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টি কালীন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীসহ শিক্ষকদের অনেক পনি পার করে বিদ্যালয়ে আসতে হয়।